🌿 100% natural wooden toys — safe for your child🧠 Every toy supports your child’s mental development🧬 Toxin-free · BPA-free · Child-safe certified🌍 Made with eco-friendly materials — for a better planet🪵 Handcrafted wood — durable and long-lasting👩‍⚕️ Recommended by child development experts🌿 100% natural wooden toys — safe for your child🧠 Every toy supports your child’s mental development🧬 Toxin-free · BPA-free · Child-safe certified🌍 Made with eco-friendly materials — for a better planet🪵 Handcrafted wood — durable and long-lasting👩‍⚕️ Recommended by child development experts
BrainyBox

দেড় বছরের বাচ্চার খাবার তালিকা: আদর্শ দৈনিক পুষ্টির নিয়ম, স্বাস্থ্যকর ডায়েট চার্ট ও শিশুর সম্পূর্ণ যত্ন

দেড় বছরের বাচ্চার খাবার তালিকা
4 views

শিশুর বয়স যখন দেড় বছর বা আঠারো মাস পূর্ণ হয়, তখন তার জীবনে এক নতুন পরিবর্তনের সূচনা ঘটে। এই বয়সের বাচ্চারা আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বাধীনচেতা এবং চঞ্চল হয়ে ওঠে। তারা এখন শুধু হামাগুড়ি দেয় না, বরং চমৎকারভাবে হাঁটতে পারে, ঘরের কোণ থেকে কোণ চষে বেড়ায় এবং ইশারায় বা ভাঙা ভাঙা শব্দে নিজের ভালো লাগা ও মন্দ লাগা প্রকাশ করতে পারে। যেহেতু এই সময়ে তাদের শারীরিক সক্রিয়তা এবং মানসিক কৌতূহল দুটোই চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকে, তাই তাদের প্রতিদিনের শক্তির চাহিদাও অনেক বেড়ে যায়। একজন সচেতন মা-বাবা হিসেবে এই বাড়ন্ত বয়সে সন্তানের সঠিক শারীরিক বৃদ্ধি, হাড়ের মজবুতি এবং প্রখর মেধা নিশ্চিত করতে একটি সুষম দেড় বছরের বাচ্চার খাবার তালিকা অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। বাচ্চার প্রতিদিনের ডায়েট এমন হওয়া উচিত যা তার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করবে।

বর্তমান ২০২৬ সালের আধুনিক প্যারেন্টিং বা শিশু পুষ্টি বিজ্ঞানের দিকে তাকালে একটি বড় সমস্যা খুব স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে, তা হলো খাবারের টেবিলে ছোট বাচ্চাদের অতিরিক্ত মোবাইল বা টিভি স্ক্রিন আসক্তি। অনেক পরিবারেই বাচ্চাকে শান্ত রাখার জন্য বা দ্রুত খাবার খাওয়াতে তার সামনে কার্টুন কিংবা ভিডিও চালিয়ে দেওয়া হয়। শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাসটি বাচ্চার খাওয়ার ধরন এবং মানসিক বিকাশের জন্য একটি বড় ঝুঁকি। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা অবস্থায় বাচ্চা নিজের ক্ষুধা বা পেট ভরার সংকেত ঠিকমতো বুঝতে পারে না, ফলে সে হয় প্রয়োজনের চেয়ে কম খায়, নয়তো অতিরিক্ত খেয়ে ফেলে—দুটোই দীর্ঘমেয়াদে হজমের সমস্যা ও অনিয়মিত খাওয়ার অভ্যাসের কারণ হতে পারে। তাই বাচ্চার পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি তার খাওয়ার পরিবেশকে সম্পূর্ণ গ্যাজেট-মুক্ত ও আনন্দময় রাখা প্রত্যেক মা-বাবার প্রধান দায়িত্ব।

দেড় বছর বয়সী শিশুদের পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা ও হজম প্রক্রিয়ার বিশেষ ধরন

আঠারো মাস বয়সী বাচ্চাদের পুষ্টির চাহিদা অন্যান্য বয়সের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন হয়। এই বয়সের শিশুরা তাদের জীবনের এক বিশেষ ট্রানজিশন বা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়, যেখানে তাদের দুধ পানের অভ্যাস কমে আসে এবং ঘরের স্বাভাবিক শক্ত খাবারের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়।

দেড় বছর (১৮ মাস) বয়সী শিশুদের পাকস্থলী ছোট থাকে, তাই তাদের দিনে ৫-৬ বার অল্প পরিমাণে কিন্তু পুষ্টিকর খাবার দেওয়া উচিত। এই বয়সে তারা বড়দের প্রায় সব খাবারই খেতে পারে। এই সময়ে বাচ্চার শরীরের কোষ ও পেশী গঠনের জন্য প্রথম শ্রেণীর প্রোটিন যেমন—ডিম, নরম করে রান্না করা মুরগির মাংস এবং মাছ নিয়মিত দেওয়া প্রয়োজন। কার্বোহাইড্রেটের জন্য লাল চালের ভাত, ওটস কিংবা সুজি চমৎকার শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। তবে বাচ্চার খাবারের এই পুষ্টি যেন তার শরীর সঠিকভাবে গ্রহণ করতে পারে, তার জন্য খাবারের উপাদান এবং রান্নার পদ্ধতি খুব সহজ ও তেল-মসলাহীন হওয়া উচিত।

একটি আদর্শ দৈনিক খাদ্য তালিকা

বাচ্চার সারাদিনের পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং তাকে ক্লান্তিহীন রাখতে প্রতি বেলার খাবার সময়মতো পরিবেশন করা উচিত। নিচে আঠারো মাস বয়সী শিশুদের জন্য একটি আদর্শ দৈনিক খাদ্য তালিকা দেওয়া হলো:

১. সকালের নাস্তা (সকাল ৮টা-৯টা)

  • ১টি ডিম (সেদ্ধ বা স্ক্র্যাম্বলড) এবং ১ টুকরো পাউরুটি বা মাখন-রুটি।

  • অথবা, ওটস ও কলা দিয়ে তৈরি খাবার।

  • সঙ্গে বুকের দুধ বা ফর্মুলা দুধ।

২. দুপুরের খাবার (দুপুর ১টা-২টা)

  • ১-২ কাপ নরম খিচুড়ি (চাল, ডাল, মাছ অথবা মাংস, গাজর, মিষ্টি কুমড়া ও পালং শাক দিয়ে নরম করে রান্না করা)।

  • খাবারে অবশ্যই ১ চা চামচ ঘি বা ভালো তেল (অলিভ অয়েল) যোগ করুন।

৩. বিকালের নাস্তা (বিকেল ৪টা-৫টা)

  • ঘরে তৈরি সুজির হালুয়া, সাবুদানা বা পায়েশ।

  • অথবা, মৌসুমী ফল (যেমন: পাকা কলা, পেঁপে, আপেল বা আম) ও মিষ্টি দই।

৪. রাতের খাবার (রাত ৮টা-৯টা)

  • নরম ভাত, সাথে মাছ বা মুরগির মাংসের পাতলা ঝোল ও সবজি।

  • অথবা, রুটি বা চাপাতি সবজি দিয়ে ভালোভাবে চটকে দেওয়া।

৫. ঘুমানোর আগে

  • বুকের দুধ অথবা এক কাপ হালকা গরম গরুর দুধ (যদি শিশু গরুর দুধ সহ্য করতে পারে)।

বাড়ন্ত শিশুর সুস্থতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় জরুরি কিছু টিপস

ছোট শিশুদের খাবার পরিবেশন এবং তাদের ওজনের গ্রোথ ধরে রাখার ক্ষেত্রে কেবল মেন্যু চার্ট জানাই যথেষ্ট নয়। এর সাথে কিছু প্র্যাকটিক্যাল গাইডলাইন এবং নিরাপত্তা সতর্কতা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি:

  • চিনি ও লবণ: এক বছরের কম বয়সী শিশুর কিডনি সম্পূর্ণ পরিপক্ব থাকে না বলে তাদের খাবারে বাড়তি লবণ একেবারেই দেওয়া উচিত নয়, আর দেড়-দুই বছর বয়সেও লবণের পরিমাণ একদম সামান্য রাখা ভালো। আলাদাভাবে, বাইরের বা অতিরিক্ত চিনি দুই বছর বয়স পর্যন্ত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয় আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স — কারণ পরিশোধিত চিনি বাচ্চার স্বাভাবিক ক্ষুধা ও স্বাদের অভ্যাস নষ্ট করতে পারে।

  • নিরাপত্তা: গলার ভেতরে আটকে যেতে পারে এমন খাবার (যেমন: আস্ত বাদাম, শক্ত ক্যান্ডি বা বড় আঙুর) দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। যেকোনো শক্ত ফল বা সবজি দেওয়ার আগে তা ভালোভাবে সেদ্ধ বা পিষে নেওয়া উচিত।

  • ফিঙ্গার ফুড: শিশুকে নিজের হাতে খাওয়ার বা সেলফ-ফিডিংয়ের অভ্যাস করাতে সেদ্ধ গাজর, নরম মিষ্টি আলুর টুকরো বা কলার স্লাইস দিতে পারেন। এটি বাচ্চার হাতের ছোট পেশীগুলোকে মজবুত করতে সাহায্য করে।

  • ইউনিসেফ গাইডলাইন: বিস্তারিত ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য ইউনিসেফ প্যারেন্টিং গাইডলাইনটি দেখতে পারেন। শিশুর শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী খাবারের পরিমাণের তারতম্য হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বাজারে পাওয়া যাওয়া সাধারণ প্লাস্টিক পাত্র ও ক্ষতিকর খেলনার আড়ালে লুকিয়ে থাকা রাসায়নিক বিষ

অনেক সময় আমরা বাচ্চার খাবারের পুষ্টিগুণ নিয়ে যতটা সচেতন থাকি, খাবার পরিবেশনের পাত্র এবং বাচ্চার হাতের খেলনা নিয়ে ততটাই উদাসীন থাকি। বাজারে খুব সস্তায় পাওয়া যাওয়া আকর্ষণীয় ও রঙিন প্লাস্টিকের বাটি, চামচ, গ্লাস এবং খেলনাগুলো বাচ্চার শরীরের জন্য মারাত্মক দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

অধিকাংশ সাধারণ ও নিম্নমানের প্লাস্টিক সামগ্রীতে বিপিএ, থ্যালেট এবং ক্ষতিকারক সীসার মতো মারাত্মক রাসায়নিক উপাদান থাকে। যখন এই প্লাস্টিকের পাত্রে গরম ভাত, সুজি বা কুসুম গরম দুধ ঢালা হয়, তখন কেমিক্যালগুলো খাবারের সাথে মিশে সরাসরি বাচ্চার সংবেদনশীল পাকস্থলীতে চলে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, বিপিএ ও থ্যালেটের মতো টক্সিন বাচ্চার এন্ডোক্রাইন সিস্টেম বা হরমোন গ্রন্থিতে প্রভাব ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে তার স্বাভাবিক শারীরিক বৃদ্ধি, উচ্চতা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই কারণেই বাচ্চার খেলনা ও ব্যবহার্য জিনিস নির্বাচনের সময় সম্পূর্ণ টক্সিন-মুক্ত এবং ইকো-ফ্রেন্ডলি উপাদান বেছে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

BrainyBox BD - সুরক্ষিত শৈশব ও প্রাকৃতিকভাবে শিশুর বুদ্ধিমত্তা বিকাশের এক অনন্য সমাধান

বাজারের এই ক্ষতিকর কেমিক্যালযুক্ত প্লাস্টিক সামগ্রী এবং স্ক্রিন আসক্তির মাঝে শিশুদের একটি সম্পূর্ণ নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও প্রাকৃতিক শৈশব ফিরিয়ে দিতে কাজ করছে BrainyBox BD। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে প্রতিটি শিশুই তার জীবনের শুরুতে সেরা, স্মার্ট এবং সবচেয়ে সুরক্ষিত পরিবেশ পাওয়ার যোগ্য। নিজেরা অভিভাবক হওয়ার সুবাদে আমরা খুব ভালো করেই জানি, বর্তমান যুগে বাচ্চাদের মোবাইল স্ক্রিন থেকে দূরে রেখে কীভাবে তাদের স্বাভাবিক খেলাধুলা, ঘুম ও মেধার বিকাশ বজায় রাখা যায়।

আমাদের প্ল্যাটফর্মে আমরা কোনো সাধারণ বা সস্তা বাণিজ্যিক খেলনা তৈরি করি না। BrainyBox-এর প্রতিটি প্লে-কিট এবং লার্নিং টুলস বিশ্বস্ত আন্তর্জাতিক সোর্স থেকে সংগ্রহ করে, চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট এক্সপার্ট বা শিশু বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে বাচ্চার সুনির্দিষ্ট বয়স ও মাসের মাইলফলক অনুযায়ী বাছাই করা হয়। আমাদের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো—প্রতিটি পণ্য আমদানির আগে ম্যাটেরিয়াল সেফটি, নন-টক্সিক ফিনিশিং এবং টেকসইতা যাচাই করে নেওয়া হয়, যাতে বাংলাদেশি পরিবারগুলো নিশ্চিন্তে বিশ্বমানের খেলনা ও কাপড়ের বই হাতে পায়। আমাদের চিন্তাশীল কিউরেশন ও কালচারালি ইনক্লুসিভ বইগুলো বাচ্চাদের প্রাকৃতিকভাবে কৌতূহলী করে তোলে এবং কোনো ডিজিটাল ডিভাইস ছাড়াই তাদের মেধার ও শরীরের প্রাকৃতিক বিকাশ নিশ্চিত করে। দেড় থেকে দুই বছর বয়সীদের জন্য আমাদের বয়স-উপযোগী প্লে কিট কালেকশন থেকে সহজেই সঠিক প্যাকেজটি বেছে নেওয়া যায়।

BrainyBox BD-এর বিশেষ থ্রি-স্টেপ সাবস্ক্রিপশন প্রসেস যেভাবে আপনার প্যারেন্টিং সহজ করে

বাচ্চার শারীরিক পুষ্টি ও ওজনের পাশাপাশি তার মানসিক মাইলফলকগুলো ধরে ধরে প্রতি মাসে নতুন শিক্ষণীয় উপাদান বাজারে গিয়ে খুঁজে নেওয়া বেশ কঠিন কাজ। এই সমস্যার এক আধুনিক সমাধান নিয়ে এসেছে BrainyBox BD-এর মান্থলি সাবস্ক্রিপশন সার্ভিস। মাত্র ৩টি সহজ পদক্ষেপে প্রতি মাসে সঠিক লার্নিং বক্স পৌঁছে যাবে আপনার দরজায়:

  1. উপযুক্ত প্ল্যানটি বেছে নিন: আমাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার বাচ্চার বর্তমান বয়স এবং তার মানসিক ও শারীরিক বিকাশের ধাপ অনুযায়ী পারফেক্ট প্যাকেজটি বেছে নিন।

  2. কিউরেটেড প্লে এসেনশিয়ালস হাতে পান: আপনার অর্ডার অনুযায়ী আমাদের বিশেষজ্ঞরা বাচ্চার বয়সোপযোগী ইকো-ফ্রেন্ডলি, সেন্সরি-রিচ খেলনা এবং আকর্ষণীয় ইনফ্যান্ট বইয়ের একটি সুন্দর বক্স প্যাক করে সরাসরি আপনার ঠিকানায় হোম ডেলিভারি পাঠিয়ে দেবে।

  3. শেখা ও আবিষ্কারের আনন্দ উপভোগ করুন: কোনো ক্ষতিকর ডিভাইস ছাড়াই আপনার সোনামণিকে দিন হাতেনাতে খেলা ও শেখার এক জাদুকরী অভিজ্ঞতা, যা তার মেধা বিকাশের ভিত্তি গড়ে তুলবে এবং তাকে শারীরিকভাবে সক্রিয় রাখবে।

পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক প্রশান্তি: শিশুর ওজনের গ্রোথ হরমোনের আসল চাবিকাঠি

আমরা অনেকেই মনে করি শিশুর সুস্থতা ও ওজন কেবল খাবারের সাথেই সম্পর্কিত, কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের আধুনিক গবেষণা বলছে বাচ্চার ওজন ও মস্তিষ্কের বিকাশের একটি বড় অংশ নির্ভর করে তার পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক স্বস্তির ওপর। ঘুমের মাঝেই শিশুদের শরীরে গ্রোথ হরমোন সবচেয়ে বেশি নিঃসৃত হয়।

যদি একটি শিশু রাতে দেরিতে ঘুমায় কিংবা তার ঘুমের সাইকেল ঠিক না থাকে, তবে তার শরীরের স্বাভাবিক মেটাবলিজম প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হতে পারে। অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে বাচ্চার মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, যা সরাসরি তার খাবারের অরুচি তৈরি করতে পারে। এছাড়া, খাওয়ার সময়ে বাচ্চাকে বকাঝকা করা বা জোর করে মুখে খাবার গুঁজে দিলে খাবারের প্রতি তার একধরনের নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হতে পারে, যা তাকে ভবিষ্যতে খেতে অনীহা দেখানোর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই সন্তানকে ঘরের ভেতরেই বিভিন্ন আনন্দময় ও সৃজনশীল খেলায় ব্যস্ত রাখা উচিত, যা তার শারীরিক ক্লান্তি এনে গভীর ঘুম নিশ্চিত করতে এবং ওজনের স্বাভাবিক গ্রোথ বজায় রাখতে দারুণ সাহায্য করে।

অনলাইন শপিং বনাম অফলাইন মার্কেট: ব্যস্ত মা-বাবার সহজ ও নিরাপদ মাধ্যম

একটি ছোট বাচ্চা ঘরে রেখে প্রচণ্ড জ্যাম, ধুলোবালি এবং ভিড়ের মধ্যে সশরীরে গিয়ে বাচ্চার জন্য টক্সিন-মুক্ত শপিং করা বা সঠিক লার্নিং উপাদান খুঁজে বের করা অত্যন্ত ক্লান্তিকর ও কষ্টসাধ্য কাজ। তাছাড়া অফলাইন দোকানে পণ্যের উপাদানের শতভাগ নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না।

এর বিপরীতে অনলাইন শপিং আপনাকে দিচ্ছে ঘরে বসে, শান্ত মাথায় সব পণ্যের রিভিউ এবং উপাদান যাচাই করে অর্ডার করার পরম স্বাধীনতা। BrainyBox BD-এ আমরা অভিভাবকদের দিচ্ছি একটি ওয়ান-স্টপ লার্নিং সলিউশন। আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিটি প্রোডাক্টের বয়সসীমা, কার্যকারিতা এবং ম্যাটেরিয়ালের বিবরণ বিস্তারিতভাবে দেওয়া আছে। সাথে থাকছে ক্যাশ অন ডেলিভারি এবং ৩-দিনের অত্যন্ত সহজ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা, যার ফলে আপনার কেনাকাটা হয়ে ওঠে সম্পূর্ণ দুশ্চিন্তামুক্ত ও নিরাপদ।

দেড় বছরের বাচ্চার খাবার তালিকা ও যত্ন নিয়ে কিছু সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)

১. দেড় বছর বয়সী বাচ্চার দিনে কতবার খাবার খাওয়া উচিত? দেড় বছর (১৮ মাস) বয়সী শিশুদের পাকস্থলী স্বাভাবিকভাবেই ছোট থাকে, তাই তাদের দিনে অন্তত ৫ থেকে ৬ বার অল্প পরিমাণে কিন্তু পুষ্টিকর ও ক্যালোরি-ঘন খাবার দেওয়া উচিত।

২. আঠারো মাস বয়সী শিশুর খাবারে লবণের পরিমাণ কেমন হওয়া উচিত? এক বছরের কম বয়সী শিশুদের কিডনি সম্পূর্ণ পরিপক্ব না হওয়ায় তাদের খাবারে বাড়তি লবণ একেবারেই দেওয়া উচিত নয়। দেড় বছর বয়সেও লবণের পরিমাণ একদম সামান্য বা নামমাত্র রাখা ভালো, আর বাইরের বা অতিরিক্ত চিনি দুই বছর বয়স পর্যন্ত এড়িয়ে চলাই ভালো অভ্যাস।

৩. BrainyBox BD-এর প্রোডাক্টগুলো বাচ্চার সুস্থ বৃদ্ধিতে কীভাবে সাহায্য করে? BrainyBox-এর খেলনা ও বইগুলো হ্যান্ডস-অন এবং স্ক্রিন-ফ্রি খেলার জন্য ডিজাইন করা। এগুলো বাচ্চাদের মোবাইল থেকে দূরে রেখে ঘরের ভেতরেই বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক অ্যাক্টিভিটিতে ব্যস্ত রাখে, যা তাদের সক্রিয় রাখতে এবং স্বাভাবিক ক্ষুধা ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে।

৪. বাচ্চার গলায় খাবার আটকে যাওয়া এড়াতে কোন কোন খাবার বর্জন করা উচিত? বাচ্চার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আস্ত বাদাম, শক্ত ক্যান্ডি, বড় সাইজের আঙুর বা কাঁচা শক্ত সবজির টুকরো দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। যেকোনো খাবার দেওয়ার আগে তা ভালোভাবে নরম ও চটকে নেওয়া নিশ্চিত করুন।

৫. BrainyBox BD-এর মান্থলি সাবস্ক্রিপশন বক্সের ডেলিভারি পেতে কতদিন সময় লাগে? আমরা সমগ্র বাংলাদেশে অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি। ঢাকা শহরের ভেতরে সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এবং ঢাকার বাইরে যেকোনো জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে ৩ থেকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে আমাদের এই বিশেষ বক্সটি আপনার ঠিকানায় পৌঁছে যাবে।

৬. আপনাদের কাপড়ের তৈরি বই বা খেলনাগুলো নোংরা হলে কি ধোয়া যাবে? হ্যাঁ, BrainyBox-এর কাপড়ের তৈরি সফট বুক এবং সেন্সরি খেলনাগুলো সম্পূর্ণ ওয়াশেবল। এগুলো বাচ্চাদের উপযোগী মাইল্ড লিকুইড ডিটারজেন্ট দিয়ে হাত দিয়ে ধুয়ে কড়া রোদে শুকিয়ে নিলে আবার একদম জীবাণুমুক্ত হয়ে যায়।

৭. কুরিয়ারে আসার পর কোনো পণ্য ত্রুটিপূর্ণ বের হলে আপনাদের পলিসি কী? আমরা প্রতিটি বক্স কুরিয়ারে দেওয়ার আগে কঠোরভাবে কোয়ালিটি চেক করে থাকি। তারপরেও যদি কোনো কারণে আপনার কাছে ত্রুটিপূর্ণ পণ্য পৌঁছায়, তবে আমাদের ৩-দিনের একটি সহজ রিপ্লেসমেন্ট পলিসি রয়েছে। আপনি সরাসরি আমাদের হটলাইনে কল করে বা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিলেই আমরা সেটি দ্রুত পরিবর্তন করে দেব।

সুষম পুষ্টি এবং আনন্দময় শৈশবের এক সুন্দর মেলবন্ধন

দিনশেষে, একটি আদর্শ দেড় বছরের বাচ্চার খাবার তালিকা মেইনটেইন করার মূল উদ্দেশ্য কেবল বাচ্চার পেট ভরানো বা ওজন বাড়ানো নয়; বরং তাকে ঘরের তৈরি পুষ্টিকর খাবারের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং প্রাণবন্ত শৈশবের সূচনা এনে দেওয়া। খাবারের জোরজুলুম বা মোবাইল স্ক্রিনের ক্ষতিকর অভ্যাস পরিহার করে, বাচ্চার প্রতিদিনের খাওয়া এবং খেলাকে করতে হবে সম্পূর্ণ স্ক্রিন-মুক্ত ও সৃজনশীল।

আপনার সোনামণিকে শারীরিক পুষ্টির পাশাপাশি একটি চমৎকার, সুরক্ষিত এবং ডিজিটাল স্ক্রিন-মুক্ত মানসিক মেধা বিকাশের জগৎ উপহার দিতে আজই ভিজিট করুন BrainyBox BD। আপনার বাচ্চার বয়স অনুযায়ী সেরা লার্নিং বা সাবস্ক্রিপশন প্যাকেজটি বেছে নিয়ে তার প্রতিদিনের বেড়ে ওঠাকে করুন আরও পুষ্টিকর, অর্থপূর্ণ এবং জাদুকরী!

Tags
Share

Leave a comment

Related posts

  • Made with the premiumShop
  • The love is realShop
  • Built for safetyShop
  • Made with the premiumShop
  • The love is realShop
  • Built for safetyShop