🌿 100% natural wooden toys — safe for your child🧠 Every toy supports your child’s mental development🧬 Toxin-free · BPA-free · Child-safe certified🌍 Made with eco-friendly materials — for a better planet🪵 Handcrafted wood — durable and long-lasting👩‍⚕️ Recommended by child development experts🌿 100% natural wooden toys — safe for your child🧠 Every toy supports your child’s mental development🧬 Toxin-free · BPA-free · Child-safe certified🌍 Made with eco-friendly materials — for a better planet🪵 Handcrafted wood — durable and long-lasting👩‍⚕️ Recommended by child development experts
BrainyBox

২-৩ বছরের বাচ্চার খাবার তালিকা: পূর্ণাঙ্গ পুষ্টির নিয়ম, বাড়ন্ত শিশুর ডায়েট চার্ট ও মেধা বিকাশের সম্পূর্ণ গাইড

২-৩ বছরের বাচ্চার খাবার তালিকা
11 views

দুই থেকে তিন বছর বয়সটি একটি শিশুর জীবনের অত্যন্ত চমৎকার ও বৈপ্লবিক একটি সময়। এই বয়সে বাচ্চারা আর পুরোপুরি অবুঝ শিশু থাকে না, বরং তারা নিজেদের টডলার বা স্বাধীনচেতা মানুষ হিসেবে প্রকাশ করতে ভালোবাসে। এখন তারা অনর্গল কথা বলতে পারে, নিজেদের ভালোলাগা-মন্দলাগা বেছে নিতে পারে এবং চমৎকারভাবে পরিবারের বাকি সদস্যদের সাথে সামাজিক যোগাযোগ গড়ে তোলে। স্বাভাবিকভাবেই এই বয়সে তাদের শারীরিক ছোটাছুটি ও মানসিক কৌতূহল দুটোই থাকে তুঙ্গে। একজন সচেতন মা-বাবা হিসেবে এই সময়ে বাচ্চার শরীরের সঠিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মজবুতি এবং প্রখর মেধা নিশ্চিত করতে একটি সুষম ২-৩ বছরের বাচ্চার খাবার তালিকা মেইনটেইন করা অত্যন্ত জরুরি। এই বয়সের খাদ্য তালিকা এমন হতে হবে যা বাচ্চার প্রতিদিনের হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে, রক্তের হিমোগ্লোবিন ঠিক রাখতে এবং মস্তিষ্কের নিউরনগুলোকে সক্রিয় করতে কাজ করবে।

বর্তমান ২০২৬ সালের আধুনিক প্যারেন্টিং চ্যালেঞ্জের দিকে তাকালে দেখা যায়, ২ থেকে ৩ বছর বয়সীদের পুষ্টিহীনতার অন্যতম বড় কারণ হলো খাবারের সময় অতিরিক্ত স্ক্রিন আসক্তি এবং বাজারের রঙিন প্রসেসড জাঙ্ক ফুডের লোভ। অনেক পরিবারেই বাচ্চাকে দ্রুত ও শান্তভাবে খাওয়ানোর জন্য তার হাতে স্মার্টফোন বা ট্যাব তুলে দেওয়া হয়। শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাসটি বাচ্চার খাওয়ার প্যাটার্ন এবং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা অবস্থায় বাচ্চা প্রায়ই না চিবিয়ে তাড়াহুড়ো করে খাবার গিলে ফেলে এবং নিজের পেট ভরার সংকেত ঠিকমতো বুঝতে পারে না, যা দীর্ঘমেয়াদে বদহজম, অনিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে। তাই বাচ্চার পুষ্টিকর ডায়েট চার্ট তৈরি করার পাশাপাশি তার খাওয়ার টেবিলকে সম্পূর্ণ গ্যাজেট-মুক্ত ও আনন্দময় রাখা সচেতন মা-বাবার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।

দুই থেকে তিন বছর বয়সী শিশুদের ক্যালোরির চাহিদা ও পুষ্টির মূল চাবিকাঠি

২-৩ বছর বয়সী একজন সুস্থ ও চঞ্চল টডলারের জন্য প্রতিদিন প্রায় ১০০০ থেকে ১৪০০ ক্যালোরি শক্তির প্রয়োজন হয়, যা সম্পূর্ণ নির্ভর করে বাচ্চার দৈনন্দিন শারীরিক সক্রিয়তা এবং ওজনের ওপর। এই ক্যালোরির পুরো অংশটিই আসতে হবে ঘরের তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবার থেকে।

এই বয়সের বাচ্চাদের খাবার তালিকা সাজানোর সময় প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, গুড ফ্যাট, ভিটামিন এবং মিনারেলসের পারফেক্ট কম্বিনেশন রাখা দরকার। কার্বোহাইড্রেটের জন্য লাল চালের ভাত, ওটস, রুটি বা সুজি চমৎকার উৎস। বাচ্চার কোষ গঠন ও পেশী মজবুত করতে প্রথম শ্রেণীর প্রোটিন যেমন—প্রতিদিন একটি আস্ত ডিম, নরম করে রান্না করা মুরগির মাংস, মাছ কিংবা গরুর কলিজা নিয়মিত দিতে হবে। বিশেষ করে এই বয়সে বাচ্চার হাড় ও দাঁত মজবুত করতে প্রচুর ক্যালসিয়াম এবং ব্রেইন ডেভেলপমেন্টের জন্য ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও আয়রনের প্রয়োজন হয়। তাই প্রতিদিনের খাবারে পরিমিত দুগ্ধজাত খাবার, ডাল এবং বিভিন্ন রঙের টাটকা মরশুমি শাকসবজি ও ফলমূল রাখা বাধ্যতামূলক।

খাবারের টেবিলে সামাজিক মেলবন্ধন ও বাচ্চার স্বাবলম্বী হওয়ার মনস্তাত্ত্বিক গুরুত্ব

২ থেকে ৩ বছর বয়সের শিশুরা অনুকরণপ্রিয় হয়। তারা মা-বাবা বা বড় ভাইবোনকে যা করতে দেখে, নিজেরাও ঠিক সেটাই করার চেষ্টা করে। তাই এই বয়সে বাচ্চাকে আলাদা করে ঘরের এক কোণে নিয়ে না খাইয়ে, পরিবারের সবার সাথে ডাইনিং টেবিলে একসাথে বসে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে।

এই সোশ্যাল ইটিং বা সামাজিক খাবারের অভ্যাস বাচ্চার মনের জড়তা ও খাবারের প্রতি ভয় দূর করে। বাচ্চার সামনে খাবার পরিবেশন করে তার নিজের চামচ বা হাত দিয়ে তাকে নিজে খেতে দিন। এতে বাচ্চার 'হাত ও চোখের কোঅর্ডিনেশন' (Hand-Eye Coordination) বা চমৎকার সমন্বয় ঘটে, যা তার মস্তিষ্কের কগনিটিভ কার্যকারিতাকে দ্রুত বাড়িয়ে তোলে। বাচ্চা যখন নিজে নিজে খাবার মুখে তুলবে, তখন তার আত্মবিশ্বাস ও স্বাবলম্বী হওয়ার মানসিকতা তৈরি হবে। খাবারের টেবিলে পরিবারের সবার সাথে এই চমৎকার মিথস্ক্রিয়া বাচ্চাকে প্রাকৃতিকভাবেই মোবাইল বা টিভির স্ক্রিন আসক্তি থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।

বাজারে পাওয়া যাওয়া রঙিন প্লাস্টিকের পাত্র ও ক্ষতিকর খেলনার আড়ালে থাকা রাসায়নিক বিষ

অনেক সময় আমরা বাচ্চার খাবারের পুষ্টিগুণ নিয়ে যতটা সচেতন থাকি, খাবার পরিবেশনের পাত্র এবং বাচ্চার হাতের খেলনা নিয়ে ততটাই উদাসীন থাকি। বাজারে খুব সস্তায় পাওয়া যাওয়া আকর্ষণীয় ও রঙিন প্লাস্টিকের বাটি, চামচ, গ্লাস এবং খেলনাগুলো বাচ্চার শরীরের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

অধিকাংশ সাধারণ ও নিম্নমানের প্লাস্টিক সামগ্রীতে বিপিএ (BPA), থ্যালেট এবং ক্ষতিকারক সীসার (Lead) মতো রাসায়নিক উপাদান থাকতে পারে। যখন এই প্লাস্টিকের পাত্রে গরম ভাত, সুজি বা কুসুম গরম দুধ ঢালা হয়, তখন কেমিক্যালগুলো খাবারের সাথে মিশে যেতে পারে। গবেষণা বলছে, এই ধরনের টক্সিন শিশুর এন্ডোক্রাইন সিস্টেম বা হরমোন গ্রন্থিতে প্রভাব ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে বাচ্চার স্বাভাবিক শারীরিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলার আশঙ্কা তৈরি করে। এই কারণেই বাচ্চার খেলনা ও ব্যবহার্য জিনিস নির্বাচনের সময় সম্পূর্ণ টক্সিন-মুক্ত এবং ইকো-ফ্রেন্ডলি ম্যাটেরিয়াল বেছে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

BrainyBox BD - সুরক্ষিত শৈশব ও প্রাকৃতিকভাবে শিশুর বুদ্ধিমত্তা বিকাশের এক অনন্য সমাধান

বাজারের এই ক্ষতিকর কেমিক্যালযুক্ত প্লাস্টিক সামগ্রী এবং স্ক্রিন আসক্তির মাঝে শিশুদের একটি সম্পূর্ণ নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও প্রাকৃতিক শৈশব ফিরিয়ে দিতে কাজ করছে BrainyBox BD। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে প্রতিটি শিশুই তার জীবনের শুরুতে সেরা, স্মার্ট এবং সবচেয়ে সুরক্ষিত পরিবেশ পাওয়ার যোগ্য। নিজেরা অভিভাবক হওয়ার সুবাদে আমরা খুব ভালো করেই জানি, বর্তমান যুগে বাচ্চাদের মোবাইল স্ক্রিন থেকে দূরে রেখে কীভাবে তাদের স্বাভাবিক ক্ষুধা, ওজন ও মেধার বিকাশ বজায় রাখা যায়।

আমাদের প্ল্যাটফর্মে আমরা কোনো সাধারণ বা যাচাই ছাড়া বাণিজ্যিক খেলনা রাখি না। BrainyBox BD-এর প্রতিটি প্লে-কিট এবং লার্নিং টুলস চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট এক্সপার্ট বা শিশু বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে বাচ্চার সুনির্দিষ্ট বয়স ও মাসের মাইলফলক অনুযায়ী বাছাই করা হয়। আমাদের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো—প্রতিটি পণ্য বিশ্বস্ত আন্তর্জাতিক সোর্স থেকে সংগ্রহ করে, আমদানির আগে ম্যাটেরিয়াল সেফটি, নন-টক্সিক ফিনিশিং এবং টেকসইতা যাচাই করে নেওয়া হয়। আমাদের চিন্তাশীল কিউরেশন ও কালচারালি ইনক্লুসিভ বইগুলো বাচ্চাদের প্রাকৃতিকভাবে কৌতূহলী করে তোলে এবং কোনো ডিজিটাল ডিভাইস ছাড়াই তাদের মেধার ও শরীরের প্রাকৃতিক বিকাশ নিশ্চিত করে। ২-৩ বছর বয়সীদের জন্য আমাদের বয়স অনুযায়ী খেলনা কালেকশন থেকে সহজেই সঠিক প্যাকেজটি বেছে নেওয়া যায়।

২ থেকে ৩ বছরের বাচ্চার সুস্থ ওজন, উচ্চতা ও বুদ্ধিমত্তা বাড়ানোর সেরা কিছু সুপারফুড

যদি বাচ্চার শারীরিক গ্রোথ এবং ওজনের ঘাটতি থাকে, তবে কোনো কৃত্রিম প্রসেসড হেলথ ড্রিংকসের পেছনে না ছুটে ঘরের তৈরি কিছু পুষ্টিকর ক্যালোরি-ঘন সুপারফুড বাচ্চার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যুক্ত করা উচিত:

  • খাঁটি ঘি এবং মাখন: বাচ্চাদের ব্রেইন এবং ফিজিক্যাল ডেভেলপমেন্টের জন্য গুড ফ্যাট অত্যন্ত দরকারি। বাচ্চার প্রতিদিনের গরম ভাত, ডাল বা খিচুড়িতে এক চামচ খাঁটি ঘি বা মাখন মিশিয়ে দিন, এটি বাচ্চার মেধা ও ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক।

  • আস্ত ডিম ও মুরগির মাংস: প্রোটিনের সবচেয়ে সেরা এবং সহজলভ্য উৎস হলো ডিম। প্রতিদিন বাচ্চাকে একটি করে আস্ত ডিম (সেদ্ধ, পোচ বা ওমলেট) খাওয়ান। এছাড়া নরম করে রান্না করা মুরগির মাংস বা কলিজা বাচ্চার রক্তের হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে।

  • পাকা কলা ও মিষ্টি আলু: পাকা কলা এনার্জি এবং পটাশিয়ামের চমৎকার উৎস। এছাড়া মিষ্টি আলু সেদ্ধ করে সামান্য মাখন বা ঘি দিয়ে চটকে বাচ্চার বিকেলের নাস্তায় দিতে পারেন, এটি অত্যন্ত ক্যালোরি-ঘন একটি খাবার।

  • দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার: প্রতিদিন এক গ্লাস গরুর দুধ, ঘরে পাতা মিষ্টি বা টক দই এবং পনির বাচ্চার খাবার তালিকায় রাখুন। এটি বাচ্চার হাড়ের ঘনত্ব এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে।

  • বাদামের গুঁড়ো বা হোমমেড পিনাট বাটার: চিনা বাদাম, কাঠবাদাম বা কাজুবাদাম হালকা ভেজে গুঁড়ো করে বাচ্চার সুজি, ওটস বা দুধের সাথে মিশিয়ে দিতে পারেন। এটি বাচ্চার পেশী মজবুত করতে সাহায্য করে। তবে আস্ত বাদাম কখনোই দেবেন না (choking hazard), এবং পরিবারে নাট অ্যালার্জির ইতিহাস থাকলে প্রথমবার দেওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

BrainyBox BD-এর বিশেষ থ্রি-স্টেপ সাবস্ক্রিপশন প্রসেস যেভাবে আপনার প্যারেন্টিং সহজ করে

বাচ্চার শারীরিক পুষ্টি ও ওজনের পাশাপাশি তার মানসিক মাইলফলকগুলো ধরে ধরে প্রতি মাসে নতুন শিক্ষণীয় উপাদান বাজারে গিয়ে খুঁজে নেওয়া বেশ কঠিন কাজ। এই সমস্যার এক আধুনিক সমাধান নিয়ে এসেছে BrainyBox BD-এর মান্থলি সাবস্ক্রিপশন সার্ভিস। মাত্র ৩টি সহজ পদক্ষেপে প্রতি মাসে সঠিক লার্নিং বক্স পৌঁছে যাবে আপনার দরজায়:

  1. উপযুক্ত প্ল্যানটি বেছে নিন: আমাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার বাচ্চার বর্তমান বয়স এবং তার মানসিক ও শারীরিক বিকাশের ধাপ অনুযায়ী পারফেক্ট প্যাকেজটি বেছে নিন।

  2. কিউরেটেড প্লে এসেনশিয়ালস হাতে পান: আপনার অর্ডার অনুযায়ী আমাদের বিশেষজ্ঞরা বাচ্চার বয়সোপযোগী ইকো-ফ্রেন্ডলি, সেন্সরি-রিচ খেলনা এবং আকর্ষণীয় বইয়ের একটি সুন্দর বক্স প্যাক করে সরাসরি আপনার ঠিকানায় হোম ডেলিভারি পাঠিয়ে দেবে।

  3. স্ক্রিন-মুক্ত আবিষ্কারের আনন্দ নিন: কোনো ক্ষতিকর ডিভাইস ছাড়াই আপনার সোনামণিকে দিন হাতেনাতে খেলা ও শেখার এক জাদুকরী অভিজ্ঞতা, যা তার মেধা বিকাশের ভিত্তি গড়ে তুলবে এবং তাকে শারীরিকভাবে সক্রিয় রাখবে।

২-৩ বছরের জেদি ও খাবারে অনিচ্ছুক (পিকি ইটার) বাচ্চাদের সামলানোর প্যারেন্টিং কৌশল

২ থেকে ৩ বছর বয়সে বাচ্চাদের নিজস্ব মতামত তৈরি হয়, তাই তারা অনেক সময় খাবারের টেবিলে চরম জেদ প্রকাশ করে। কোনো নির্দিষ্ট খাবার খেতে না চাওয়া বা নতুন খাবার দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া এই বয়সে খুব স্বাভাবিক বিষয়, যাকে শিশু বিজ্ঞানের ভাষায় 'পিকি ইটিং' বলা হয়। AAP-এর গাইডলাইন অনুযায়ী, শিশুর বৃদ্ধির গতি শৈশব থেকে টডলার বয়সে এসে স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা কমে যায়, যার ফলে ক্ষুধাও কমে যেতে পারে — এটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সাময়িক এবং স্বাভাবিক একটি ধাপ।

এই সমস্যা দূর করতে বাচ্চাকে জোর করে খাওয়ানো সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে, কারণ জোরজুলুম করলে খাবারের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হতে পারে। এর পরিবর্তে খাবারের পরিবেশন শৈলীতে নতুনত্ব আনুন। যেমন—সবজি দিয়ে রঙিন প্যানকেক তৈরি করুন, ভাতের প্লেটে ডিম দিয়ে সুন্দর কোনো আকৃতি বানিয়ে দিন। দুই খাবারের মাঝখানে অন্তত ৩ ঘণ্টার একটি নির্দিষ্ট গ্যাপ রাখুন, যেন বাচ্চার প্রাকৃতিকভাবে ক্ষুধা লাগার সময় পায়। বাচ্চা যখন ঘরের ভেতরেই কোনো ডিভাইস ছাড়া BrainyBox-এর মতো সৃজনশীল খেলনা নিয়ে খেলবে, তখন তার শারীরিক সক্রিয়তা বাড়বে এবং ক্লান্তি আসবে। এর ফলে সে প্রাকৃতিকভাবে ক্ষুধার্ত হয়ে সঠিক সময়ে কোনো জেদ ছাড়াই খাবার খাবে।

অনলাইন শপিং বনাম অফলাইন মার্কেট: ব্যস্ত মা-বাবার সহজ ও নিরাপদ মাধ্যম

একটি ছোট বাচ্চা ঘরে রেখে প্রচণ্ড জ্যাম, ধুলোবালি এবং ভিড়ের মধ্যে সশরীরে গিয়ে বাচ্চার জন্য টক্সিন-মুক্ত শপিং করা বা সঠিক লার্নিং উপাদান খুঁজে বের করা অত্যন্ত ক্লান্তিকর ও কষ্টসাধ্য কাজ। তাছাড়া অফলাইন দোকানে পণ্যের উপাদানের শতভাগ নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না।

এর বিপরীতে অনলাইন শপিং আপনাকে দিচ্ছে ঘরে বসে, শান্ত মাথায় সব পণ্যের রিভিউ এবং উপাদান যাচাই করে অর্ডার করার পরম স্বাধীনতা। BrainyBox BD-এ আমরা অভিভাবকদের দিচ্ছি একটি ওয়ান-স্টপ লার্নিং সলিউশন। আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিটি প্রোডাক্টের বয়সসীমা, কার্যকারিতা এবং ম্যাটেরিয়ালের বিবরণ বিস্তারিতভাবে দেওয়া আছে। সাথে থাকছে ক্যাশ অন ডেলিভারি এবং ৩-দিনের অত্যন্ত সহজ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা, যার ফলে আপনার কেনাকাটা হয়ে ওঠে সম্পূর্ণ দুশ্চিন্তামুক্ত ও নিরাপদ।

২-৩ বছরের বাচ্চার খাবার ও যত্ন নিয়ে কিছু সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)

১. ২-৩ বছরের বাচ্চার খাবার তালিকায় প্রতিদিন কতটুকু ক্যালোরি থাকা উচিত? এই বয়সের একটি বাড়ন্ত ও অত্যন্ত চঞ্চল টডলারের জন্য প্রতিদিন বাচ্চার ওজন ও সক্রিয়তা ভেদে প্রায় ১০০০ থেকে ১৪০০ ক্যালোরি সমৃদ্ধ সুষম খাবারের প্রয়োজন হয়।

২. এই বয়সের বাচ্চার দাঁতের সুরক্ষায় কোন কোন খাবার এড়িয়ে চলা উচিত? অতিরিক্ত চকলেট, ক্যান্ডি, প্যাকেটজাত চিপস, ডোনাট এবং কৃত্রিম প্রিজারভেটিভযুক্ত জুস বা কোল্ড ড্রিংকস বাচ্চার দাঁতে ক্যাভিটি তৈরি করতে পারে এবং ক্ষুধা কমিয়ে দিতে পারে, তাই এগুলো এড়িয়ে চলা ভালো।

৩. BrainyBox BD-এর প্রোডাক্টগুলো বাচ্চার সুস্থ বৃদ্ধিতে কীভাবে সাহায্য করে? BrainyBox BD-এর খেলনা ও বইগুলো হ্যান্ডস-অন এবং স্ক্রিন-ফ্রি খেলার জন্য ডিজাইন করা। এগুলো বাচ্চাদের মোবাইল থেকে দূরে রেখে ঘরের ভেতরেই বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক অ্যাক্টিভিটিতে ব্যস্ত রাখে, যা তাদের শারীরিক সক্রিয়তা বাড়িয়ে প্রাকৃতিকভাবে ক্ষুধা তৈরিতে সহায়ক হতে পারে।

৪. বাচ্চার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে খাবার তালিকায় কী রাখা জরুরি? ২-৩ বছরের বাচ্চাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে খাবারে পর্যাপ্ত আঁশ বা ফাইবার থাকা দরকার। এর জন্য প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় লাল চালের ভাত, ডাল, পাকা পেঁপে, আপেল এবং পর্যাপ্ত পানি রাখুন।

৫. BrainyBox BD-এর মান্থলি সাবস্ক্রিপশন বক্সের ডেলিভারি পেতে কতদিন সময় লাগে? আমরা সমগ্র বাংলাদেশে অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি। ঢাকা শহরের ভেতরে সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এবং ঢাকার বাইরে যেকোনো জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে ৩ থেকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে আমাদের এই বিশেষ ব্রেইন-বুস্টিং লার্নিং বক্সটি আপনার ঠিকানায় পৌঁছে যাবে।

৬. আপনাদের কাপড়ের তৈরি বই বা খেলনাগুলো নোংরা হলে কি ধোয়া যাবে? হ্যাঁ, BrainyBox-এর কাপড়ের তৈরি সফট বুক এবং সেন্সরি খেলনাগুলো সম্পূর্ণ ওয়াশেবল (Washable)। এগুলো বাচ্চাদের উপযোগী মাইল্ড লিকুইড ডিটারজেন্ট দিয়ে হাত দিয়ে ধুয়ে কড়া রোদে শুকিয়ে নিলে আবার একদম জীবাণুমুক্ত হয়ে যায়।

৭. কুরিয়ারে আসার পর কোনো পণ্য ত্রুটিপূর্ণ বের হলে আপনাদের পলিসি কী? আমরা প্রতিটি বক্স কুরিয়ারে দেওয়ার আগে কঠোরভাবে কোয়ালিটি চেক করে থাকি। তারপরেও যদি কোনো কারণে আপনার কাছে ত্রুটিপূর্ণ পণ্য পৌঁছায়, তবে আমাদের ৩-দিনের একটি সহজ রিপ্লেসমেন্ট পলিসি রয়েছে। আপনি সরাসরি আমাদের হটলাইনে (+8801819-408381) কল করে বা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিলেই আমরা সেটি দ্রুত পরিবর্তন করে দেব।

সুষম পুষ্টি এবং আনন্দময় শৈশবের এক সুন্দর মেলবন্ধন

দিনশেষে, একটি আদর্শ ২-৩ বছরের বাচ্চার খাবার তালিকা মেইনটেইন করার মূল উদ্দেশ্য কেবল বাচ্চার পেট ভরানো বা ওজন বাড়ানো নয়; বরং তাকে ঘরের তৈরি পুষ্টিকর খাবারের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং প্রাণবন্ত শৈশবের সূচনা এনে দেওয়া। খাবারের জোরজুলুম বা মোবাইল স্ক্রিনের ক্ষতিকর অভ্যাস পরিহার করে, বাচ্চার প্রতিদিনের খাওয়া এবং খেলাকে করতে হবে সম্পূর্ণ স্ক্রিন-মুক্ত ও সৃজনশীল।

আপনার সোনামণিকে শারীরিক পুষ্টির পাশাপাশি একটি চমৎকার, সুরক্ষিত এবং ডিজিটাল স্ক্রিন-মুক্ত মানসিক মেধা বিকাশের জগৎ উপহার দিতে আজই ভিজিট করুন BrainyBox BD। আপনার বাচ্চার বয়স অনুযায়ী সেরা লার্নিং বা সাবস্ক্রিপশন প্যাকেজটি বেছে নিয়ে তার প্রতিদিনের বেড়ে ওঠাকে করুন আরও পুষ্টিকর, অর্থপূর্ণ এবং জাদুকরী!

Tags
Share

Leave a comment

Related posts

  • Made with the premiumShop
  • The love is realShop
  • Built for safetyShop
  • Made with the premiumShop
  • The love is realShop
  • Built for safetyShop